ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
​বিএমডিএতে ফের জাহাঙ্গীর : জনস্বার্থে অপসারণের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন বেসরকারিভাবে জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা রেখেছেন: শ্রমিক নেতা এয়াকুব বিজ্ঞাপন থেকে সিনেমা, সামিয়ার স্বপ্নের পথে নতুন বাঁক বুশরা গ্রুপে নিজের ৪ লক্ষ টাকা জমা, তবু সাংবাদিককে নবজাতকের হাসপাতাল বিল দিতে ধার! নাচই যার জীবনের সঙ্গী, পুরস্কারে সমৃদ্ধ কেয়ার পথচলা মায়ের হাত ধরে নাচ, কার্টুনের কণ্ঠ থেকে ভয়েসওভার: জয়িতার গল্প জিম্মি বন্দি, বাধ্য স্বজন : রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী রাসেলের ত্রাস অল্প বয়সেই একের পর এক সাফল্য, আইপা অ্যাওয়ার্ড জিতল আনাহিতা জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের গল্প নিয়ে নিউইয়র্কে ‘বিশ্বাস করেন ভাই’ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বহুমুখী ওপেন মার্কেটপ্লেস

​বিএমডিএতে ফের জাহাঙ্গীর : জনস্বার্থে অপসারণের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নির্বাহী পরিচালক (ইডি) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। গত ১১ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে এক বছরের জন্য এ পদে পদায়ন করা হয় এবং গত বুধবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

​তবে এই নিয়োগ ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম বিতর্ক ও প্রশ্ন। মাত্র ১৭ মাস আগে বিএমডিএর তৎকালীন ইডি মো. শফিকুল ইসলামকে সরিয়ে অবৈধভাবে চেয়ার দখলের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং দুদিনের মাথায় ‘জনস্বার্থে’ জাহাঙ্গীর আলমকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়।

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কৃষি মন্ত্রণালয় ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে ১৭ মাস পার হলেও সেই তদন্তের ফলাফল কিংবা সুপারিশ কখনো প্রকাশ করা হয়নি।

‘জনস্বার্থে’ বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে জাহাঙ্গীর আলম নিজেই উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তাঁকে একই সংস্থার শীর্ষ পদে ফেরানো হলো।

যাকে ‘জনস্বার্থে’ অপসারণ করা হয়েছিল, কোন বিশেষ মূল্যায়নে ১৭ মাসের ব্যবধানে আবার একই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো—তার স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যার অনুপস্থিতি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

​অতীতের এসব বিতর্ক সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে নবনিযুক্ত ইডি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “অনর্থক অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি না করাই ভালো।”

অন্যদিকে, ভুক্তভোগী সাবেক ইডি মো. শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

​বিএমডিএতে ফের জাহাঙ্গীর : জনস্বার্থে অপসারণের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নির্বাহী পরিচালক (ইডি) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। গত ১১ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে এক বছরের জন্য এ পদে পদায়ন করা হয় এবং গত বুধবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

​তবে এই নিয়োগ ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম বিতর্ক ও প্রশ্ন। মাত্র ১৭ মাস আগে বিএমডিএর তৎকালীন ইডি মো. শফিকুল ইসলামকে সরিয়ে অবৈধভাবে চেয়ার দখলের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং দুদিনের মাথায় ‘জনস্বার্থে’ জাহাঙ্গীর আলমকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়।

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কৃষি মন্ত্রণালয় ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে ১৭ মাস পার হলেও সেই তদন্তের ফলাফল কিংবা সুপারিশ কখনো প্রকাশ করা হয়নি।

‘জনস্বার্থে’ বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে জাহাঙ্গীর আলম নিজেই উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তাঁকে একই সংস্থার শীর্ষ পদে ফেরানো হলো।

যাকে ‘জনস্বার্থে’ অপসারণ করা হয়েছিল, কোন বিশেষ মূল্যায়নে ১৭ মাসের ব্যবধানে আবার একই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো—তার স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যার অনুপস্থিতি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

​অতীতের এসব বিতর্ক সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে নবনিযুক্ত ইডি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “অনর্থক অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি না করাই ভালো।”

অন্যদিকে, ভুক্তভোগী সাবেক ইডি মো. শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।