ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে শিবিরের বিরুদ্ধে দুই হোটেলে তাণ্ডবের অভিযোগ, থমথমে পরিস্থিতি বিএসএফ নিতে প্রস্তুত, আইনি জটিলতায় নিজ দেশে ফিরতে পারছে না চার ভারতীয় আরডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের সাথে রেডা নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহী নৃত্যশিল্পী ঐক্য জোটের রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী পালন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারী তিন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ ! কালিগঞ্জে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও অপরাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাসিক প্রশাসকের ফ্রান্স সফর নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রকৃত তথ্য জানাল সিটি কর্পোরেশন ​প্রতারণা মামলায় রাজশাহীতে কথিত সাংবাদিক চপল গ্রেফতার দুই মাসে ১৪ নির্যাতন, রাজশাহীতে নারী ও শিশু পরিস্থিতি হতাশাজনক বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা হাসিনা আনছারের জন্মদিন

শার্শায় বিএনপি কর্মী লিটন হত্যা মামলায় আটক-৪

সোহেল রানা
  • আপডেট সময় : ০২:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫ ৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টারঃ যশোরের শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে চায়ের দোকানে বসে চা খাওয়ার সময় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় নিহত হয়েছেন বিএনপি কর্মী লিটন হোসেন (৩০)। মঙ্গলবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। নিহত লিটন দুর্গাপুর গ্রামের আজগর আলীর ছেলে।

ঘটনার চার ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুইজনসহ মোট চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে লিটন একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় একই এলাকার সেলিম ও রমজান কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে সেখানে এসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। লিটনের চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় লিটনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা আজগর আলী অভিযোগ করে বলেন, “আমার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আঃ মোমিন, সেলিম হোসেন ও রমজান আলীর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ছিল। তারা এর আগেও লিটনকে একাধিকবার মারধর করেছে। ঈদের আগের দিনও লিটনের সঙ্গে তাদের ঝগড়া হয়। এই শত্রুতার জেরেই আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।”

রাতে ঘটনার পরপরই নিহত লিটনের বাবা বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে দুর্গাপুর গ্রামের মৃত কাশেম আলীর ছেলে আজগার আলী (৩২) ও শমসের আলী (৪৫) এজাহারভুক্ত আসামি। এছাড়াও তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয় মামলার অন্য আসামি মৃত মুনসুর আলীর ছেলে সামসুল হক (৫২) ও আব্দুল হক মিয়া (৫৫)-কে।

এ ব্যাপারে শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম রবিউল ইসলাম জানান, “হত্যাকাণ্ডের মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই আমরা চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শার্শায় বিএনপি কর্মী লিটন হত্যা মামলায় আটক-৪

আপডেট সময় : ০২:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ যশোরের শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে চায়ের দোকানে বসে চা খাওয়ার সময় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় নিহত হয়েছেন বিএনপি কর্মী লিটন হোসেন (৩০)। মঙ্গলবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। নিহত লিটন দুর্গাপুর গ্রামের আজগর আলীর ছেলে।

ঘটনার চার ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুইজনসহ মোট চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে লিটন একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় একই এলাকার সেলিম ও রমজান কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে সেখানে এসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। লিটনের চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় লিটনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা আজগর আলী অভিযোগ করে বলেন, “আমার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আঃ মোমিন, সেলিম হোসেন ও রমজান আলীর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ছিল। তারা এর আগেও লিটনকে একাধিকবার মারধর করেছে। ঈদের আগের দিনও লিটনের সঙ্গে তাদের ঝগড়া হয়। এই শত্রুতার জেরেই আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।”

রাতে ঘটনার পরপরই নিহত লিটনের বাবা বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে দুর্গাপুর গ্রামের মৃত কাশেম আলীর ছেলে আজগার আলী (৩২) ও শমসের আলী (৪৫) এজাহারভুক্ত আসামি। এছাড়াও তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয় মামলার অন্য আসামি মৃত মুনসুর আলীর ছেলে সামসুল হক (৫২) ও আব্দুল হক মিয়া (৫৫)-কে।

এ ব্যাপারে শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম রবিউল ইসলাম জানান, “হত্যাকাণ্ডের মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই আমরা চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।