ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধুপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হকের বিরুদ্ধে ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা ও জন্মনিবন্ধন সংশোধনে অর্থ আদায়ের অভিযোগ মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত  পীরগঞ্জে ৪২২ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যবসায়ী আটক মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মানবিকতার জয়গান, রাজশাহীতে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবার ঘোষণা বিরলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সুফল ভোগীদের মাঝে ছাগল ও উপকরন বিতরণ বিরলে নোনাখাড়ি পুনঃ খননের উদ্বোধন পীরগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউ টিন বিতরণ

স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হকের বিরুদ্ধে ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা ও জন্মনিবন্ধন সংশোধনে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোদাগাড়ী পৌরসভার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোহাঃ সেমাজুল হকের বিরুদ্ধে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি ও জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সেবা পেতে পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।

পৌর এলাকার ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকার ড্রেন উপচে রাস্তায় ময়লা পানি জমে যায়। মাসের পর মাস ড্রেন পরিষ্কার না করায় মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে। একাধিকবার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হককে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, ড্রেনের ময়লা পানি দোকানের সামনে এসে জমে। ক্রেতা আসতে চায় না। উনাকে বললে উনি লোকবল সংকটের কথা বলে দায় সারেন।

জন্মনিবন্ধন সংশোধনে ৬ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পৌর এলাকার বাসিন্দা রহিমা খাতুন অভিযোগ করেন, তার ছেলের জন্মনিবন্ধনে নামের বানান ভুল থাকায় সংশোধনের জন্য স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হকের কাছে যান তিনি। রহিমা খাতুনের দাবি, সংশোধন করে দিতে স্যার আমার কাছে ৬ হাজার টাকা চান। সরকারি ফি ৫০ থেকে ১০০ টাকা জানি। এত টাকা দিতে পারব না বলায় তিনি ফাইল আটকে রাখেন।

একই ধরনের অভিযোগ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও দুইজন সেবাপ্রার্থী। তাদের দাবি, টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না।

স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এখানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন অতিরিক্ত ফ্রি নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হকের বিরুদ্ধে ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা ও জন্মনিবন্ধন সংশোধনে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

গোদাগাড়ী পৌরসভার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোহাঃ সেমাজুল হকের বিরুদ্ধে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি ও জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সেবা পেতে পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।

পৌর এলাকার ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকার ড্রেন উপচে রাস্তায় ময়লা পানি জমে যায়। মাসের পর মাস ড্রেন পরিষ্কার না করায় মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে। একাধিকবার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হককে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, ড্রেনের ময়লা পানি দোকানের সামনে এসে জমে। ক্রেতা আসতে চায় না। উনাকে বললে উনি লোকবল সংকটের কথা বলে দায় সারেন।

জন্মনিবন্ধন সংশোধনে ৬ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পৌর এলাকার বাসিন্দা রহিমা খাতুন অভিযোগ করেন, তার ছেলের জন্মনিবন্ধনে নামের বানান ভুল থাকায় সংশোধনের জন্য স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হকের কাছে যান তিনি। রহিমা খাতুনের দাবি, সংশোধন করে দিতে স্যার আমার কাছে ৬ হাজার টাকা চান। সরকারি ফি ৫০ থেকে ১০০ টাকা জানি। এত টাকা দিতে পারব না বলায় তিনি ফাইল আটকে রাখেন।

একই ধরনের অভিযোগ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও দুইজন সেবাপ্রার্থী। তাদের দাবি, টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না।

স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেমাজুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এখানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন অতিরিক্ত ফ্রি নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।