ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গিয়াস উদ্দীন কালিগঞ্জে রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে দুস্থদের ঈদসামগ্রী ও খাদ্যসহায়তা যশোর সীমান্তে চোরাচালানী বিভিন্ন মালামাল জব্দ পীরগঞ্জে ৩০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৬ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ যশোর সীমান্তে অবৈধ চোরাচালানী বিভিন্ন মালামাল জব্দ দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় ল্যাবোরেট সিরাপ জব্দ খনগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঈদের শুভেচ্ছা ও দোয়া কামনা পীরগঞ্জে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদের বিশেষ আয়োজনে ‘খান বাড়ি বনাম চৌধুরী বাড়ি’, নতুন ১৮ শিল্পীর অভিষেক রাজশাহীতে সাংবাদিক নেতার ওপর হামলা : মূল আসামিরা অধরা, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ

চেতনা হোক উদ্বুদ্ধ করার শক্তি: আবির চৌধুরী

বিনোদন প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিত্রনায়ক আবির চৌধুরী শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করে, মঞ্চে অভিনয় করে সিনেমায় পা রাখেন। ২০১০ সালে তার অভিনীত শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘বাপ বড় না শ্বশুর বড়’ ও ২০১২ সালে আশরাফুর রহমান পরিচালিত ‘তুমি আসবে বলে’ সিনেমা দুটি মুক্তি পায়। সর্বশেষ তাকে মিজানুর রহমান মিজান পরিচালিত ‘রাগী’ সিনেমায় দেখা যায়। বর্তমানে তার অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে জুলাই আন্দোলন নিয়ে চলচ্চিত্র ‘দ্য রিমান্ড’।

এদিকে, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও আত্মনির্ভরতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে আবির লিখেন, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও সার্বভৌম নিরাপত্তা নিয়ে দেশবাসীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশ যখন হাইপারসনিক মিসাইল, ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এবং শক্তিশালী প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে নিজেদের সমৃদ্ধ করছে, তখন বাংলাদেশে এখনো পুরনো ও আধুনিকতার বাইরে থাকা অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে চলছে আলোচনা।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪৪টি যুদ্ধবিমান থাকলেও এর অধিকাংশই আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নেই কার্যকর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থা। অথচ প্রতিরক্ষা খাতে দৃশ্যমান কোনো আধুনিকায়ন নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘সামরিক শক্তি কেবল অস্ত্র দিয়ে হয় না, দরকার পেশাগত দক্ষতা, স্বচ্ছ কৌশল এবং রাজনীতি থেকে সেনাবাহিনীকে মুক্ত রাখা।
তারা আরও বলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা না গেলে আত্মনির্ভরতা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় তারা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশও দিয়েছেন: প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রাজনীতি থেকে পেশাগত প্রতিষ্ঠান দূরে রাখা, জাতীয় ঐক্য গঠন ও তরুণদের প্রশিক্ষণ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও জবাবদিহি, বিজ্ঞানভিত্তিক আত্মনির্ভর উন্নয়ন কৌশল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ফেসবুকে দেশপ্রেম প্রকাশ নয়, বাস্তবে আত্মনির্ভর হতে হলে সময়োপযোগী পদক্ষেপ এখনই জরুরি।

শুধু ‘চেতনা’ নিয়ে সরব না হয়ে এখন সময় এসেছে বাস্তব পদক্ষেপে দেশ নিয়ে ভাবার। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ‘চেতনা’, ‘দেশপ্রেম’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ’ এই শব্দগুলোকে রাজনৈতিক এবং আবেগের হাতিয়ার বানিয়েছি। কিন্তু এখন সময় এসেছে প্রশ্ন করার চেতনার বাইরে আমাদের প্রস্তুতি কতটুকু? চেতনা হোক উদ্বুদ্ধ করার শক্তি, কিন্তু দেশ গঠনে চাই পদক্ষেপ, কাজ আর পরিকল্পিত নেতৃত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চেতনা হোক উদ্বুদ্ধ করার শক্তি: আবির চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

চিত্রনায়ক আবির চৌধুরী শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করে, মঞ্চে অভিনয় করে সিনেমায় পা রাখেন। ২০১০ সালে তার অভিনীত শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘বাপ বড় না শ্বশুর বড়’ ও ২০১২ সালে আশরাফুর রহমান পরিচালিত ‘তুমি আসবে বলে’ সিনেমা দুটি মুক্তি পায়। সর্বশেষ তাকে মিজানুর রহমান মিজান পরিচালিত ‘রাগী’ সিনেমায় দেখা যায়। বর্তমানে তার অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে জুলাই আন্দোলন নিয়ে চলচ্চিত্র ‘দ্য রিমান্ড’।

এদিকে, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও আত্মনির্ভরতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে আবির লিখেন, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও সার্বভৌম নিরাপত্তা নিয়ে দেশবাসীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশ যখন হাইপারসনিক মিসাইল, ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এবং শক্তিশালী প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে নিজেদের সমৃদ্ধ করছে, তখন বাংলাদেশে এখনো পুরনো ও আধুনিকতার বাইরে থাকা অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে চলছে আলোচনা।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪৪টি যুদ্ধবিমান থাকলেও এর অধিকাংশই আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নেই কার্যকর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থা। অথচ প্রতিরক্ষা খাতে দৃশ্যমান কোনো আধুনিকায়ন নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘সামরিক শক্তি কেবল অস্ত্র দিয়ে হয় না, দরকার পেশাগত দক্ষতা, স্বচ্ছ কৌশল এবং রাজনীতি থেকে সেনাবাহিনীকে মুক্ত রাখা।
তারা আরও বলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা না গেলে আত্মনির্ভরতা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় তারা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশও দিয়েছেন: প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রাজনীতি থেকে পেশাগত প্রতিষ্ঠান দূরে রাখা, জাতীয় ঐক্য গঠন ও তরুণদের প্রশিক্ষণ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও জবাবদিহি, বিজ্ঞানভিত্তিক আত্মনির্ভর উন্নয়ন কৌশল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ফেসবুকে দেশপ্রেম প্রকাশ নয়, বাস্তবে আত্মনির্ভর হতে হলে সময়োপযোগী পদক্ষেপ এখনই জরুরি।

শুধু ‘চেতনা’ নিয়ে সরব না হয়ে এখন সময় এসেছে বাস্তব পদক্ষেপে দেশ নিয়ে ভাবার। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ‘চেতনা’, ‘দেশপ্রেম’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ’ এই শব্দগুলোকে রাজনৈতিক এবং আবেগের হাতিয়ার বানিয়েছি। কিন্তু এখন সময় এসেছে প্রশ্ন করার চেতনার বাইরে আমাদের প্রস্তুতি কতটুকু? চেতনা হোক উদ্বুদ্ধ করার শক্তি, কিন্তু দেশ গঠনে চাই পদক্ষেপ, কাজ আর পরিকল্পিত নেতৃত্ব।