ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেবহাটায় ক্রয়কৃত জমিতে বসতঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সুবাহর কথাসাহিত্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ইলেকট্রনিক্স শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি পেলেন গোলাম শাহরিয়ার কবির রাজশাহীতে হোটেল মালিককে ‘চাঁদাবাজ’ সাজানোর চেষ্টার অভিযোগ রাজশাহীতে শ্রমিকদের ওপর হামলা, পাখির অপসারণ ও শাস্তির দাবি উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতি করে হাট বরাদ্দের অভিযোগ ! ‘আতরবিবিলেন’-এর নতুন গানে কণ্ঠে মুগ্ধতা আনলেন স্বর্ণা ১৫০ কর্মী নিয়ে ফেন্সি লিমিটেডের দিনব্যাপী আনন্দ আয়োজন ​মাদক বিক্রি ও বিচারপ্রার্থীদের জিম্মি করার অভিযোগ গোদাগাড়ীর এসআইয়ের বিরুদ্ধে

৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনা হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ১২১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের ৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। সংস্থাগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্যভান্ডারটির নাম ‘স্টেটওয়নড এন্টারপ্রাইজেস অ্যান্ড অটোনোমাস বডিজ বাজেট, রিপোর্টিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন ডেটাবেইস’+, যা সংক্ষিপ্ত রূপ ‘সেবার+’ নামে পরিচিত।

সচিবালয়ে আজ সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ চলতি বছরে সেবার+এর মাধ্যমে ৭২টি সংস্থার বাজেট প্রণয়নের কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ বিভাগের তিন অতিরিক্ত সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, বিলকিস জাহান রিমি ও রহিমা বেগম, যুগ্ম সচিব ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সেবার+এর মাধ্যমে বাজেট রিপোর্টিং, ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায় বিশ্লেষণ এবং কর্মকৃতি মূল্যায়ন (পারফরম্যান্স) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ১২টি সংস্থা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে সেবার+ ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। আগে অর্থ বিভাগ ৪৯টি সংস্থার বাজেট করত কাগজে-কলমে (অফলাইন)।
‘সেবার+’ হচ্ছে অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেল প্রণীত একটি অনলাইন ডেটাবেজ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর বাজেট প্রস্তুত, তাদের ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায়ের হিসাবায়ন, রিপোর্টিং ও সার্বিক কাজের মূল্যায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, অফলাইন থেকে অনলাইন ব্যবস্থায় রূপান্তরের ফলে চলতি অর্থবছরে ৭২টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার বাজেট প্রক্রিয়া নির্ভুল হয়েছে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনা হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

দেশের ৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। সংস্থাগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্যভান্ডারটির নাম ‘স্টেটওয়নড এন্টারপ্রাইজেস অ্যান্ড অটোনোমাস বডিজ বাজেট, রিপোর্টিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন ডেটাবেইস’+, যা সংক্ষিপ্ত রূপ ‘সেবার+’ নামে পরিচিত।

সচিবালয়ে আজ সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ চলতি বছরে সেবার+এর মাধ্যমে ৭২টি সংস্থার বাজেট প্রণয়নের কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ বিভাগের তিন অতিরিক্ত সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, বিলকিস জাহান রিমি ও রহিমা বেগম, যুগ্ম সচিব ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সেবার+এর মাধ্যমে বাজেট রিপোর্টিং, ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায় বিশ্লেষণ এবং কর্মকৃতি মূল্যায়ন (পারফরম্যান্স) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ১২টি সংস্থা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে সেবার+ ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। আগে অর্থ বিভাগ ৪৯টি সংস্থার বাজেট করত কাগজে-কলমে (অফলাইন)।
‘সেবার+’ হচ্ছে অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেল প্রণীত একটি অনলাইন ডেটাবেজ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর বাজেট প্রস্তুত, তাদের ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায়ের হিসাবায়ন, রিপোর্টিং ও সার্বিক কাজের মূল্যায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, অফলাইন থেকে অনলাইন ব্যবস্থায় রূপান্তরের ফলে চলতি অর্থবছরে ৭২টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার বাজেট প্রক্রিয়া নির্ভুল হয়েছে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে।