ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাধা পেরিয়ে স্বপ্নজয়ের পথে নারী উদ্যোক্তা সাকিলা সুলতানা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে নতুন চরিত্রে সানজিদা তাসনীম যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব নৌ দিবস–২০২৬ উদযাপন জন্মদিনে পরিবারই মৌ রহমানের সবচেয়ে বড় আনন্দ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে : প্রধান প্রকৌশলী থেকে জিএম আহমেদ হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ‘পটু’ চরিত্রে অভিনয়ে নজর কাড়লেন শিশুশিল্পী আয়াত গুলশান-২ এ ‘বারোক ক্যাফের’ নতুন শাখার উদ্বোধন চলচ্চিত্র পরিচালক ইকবালের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটে দোকান বরাদ্দ নিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা ও চুরির অভিযোগ দেশীয় ফ্যাশনের ব্র্যান্ড নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো রানওয়ে উইক

৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনা হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের ৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। সংস্থাগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্যভান্ডারটির নাম ‘স্টেটওয়নড এন্টারপ্রাইজেস অ্যান্ড অটোনোমাস বডিজ বাজেট, রিপোর্টিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন ডেটাবেইস’+, যা সংক্ষিপ্ত রূপ ‘সেবার+’ নামে পরিচিত।

সচিবালয়ে আজ সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ চলতি বছরে সেবার+এর মাধ্যমে ৭২টি সংস্থার বাজেট প্রণয়নের কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ বিভাগের তিন অতিরিক্ত সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, বিলকিস জাহান রিমি ও রহিমা বেগম, যুগ্ম সচিব ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সেবার+এর মাধ্যমে বাজেট রিপোর্টিং, ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায় বিশ্লেষণ এবং কর্মকৃতি মূল্যায়ন (পারফরম্যান্স) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ১২টি সংস্থা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে সেবার+ ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। আগে অর্থ বিভাগ ৪৯টি সংস্থার বাজেট করত কাগজে-কলমে (অফলাইন)।
‘সেবার+’ হচ্ছে অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেল প্রণীত একটি অনলাইন ডেটাবেজ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর বাজেট প্রস্তুত, তাদের ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায়ের হিসাবায়ন, রিপোর্টিং ও সার্বিক কাজের মূল্যায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, অফলাইন থেকে অনলাইন ব্যবস্থায় রূপান্তরের ফলে চলতি অর্থবছরে ৭২টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার বাজেট প্রক্রিয়া নির্ভুল হয়েছে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনা হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

দেশের ৪০০টির বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাকে অনলাইন তথ্যভান্ডারের আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। সংস্থাগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্যভান্ডারটির নাম ‘স্টেটওয়নড এন্টারপ্রাইজেস অ্যান্ড অটোনোমাস বডিজ বাজেট, রিপোর্টিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন ডেটাবেইস’+, যা সংক্ষিপ্ত রূপ ‘সেবার+’ নামে পরিচিত।

সচিবালয়ে আজ সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ চলতি বছরে সেবার+এর মাধ্যমে ৭২টি সংস্থার বাজেট প্রণয়নের কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ বিভাগের তিন অতিরিক্ত সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, বিলকিস জাহান রিমি ও রহিমা বেগম, যুগ্ম সচিব ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সেবার+এর মাধ্যমে বাজেট রিপোর্টিং, ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায় বিশ্লেষণ এবং কর্মকৃতি মূল্যায়ন (পারফরম্যান্স) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ১২টি সংস্থা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে সেবার+ ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। আগে অর্থ বিভাগ ৪৯টি সংস্থার বাজেট করত কাগজে-কলমে (অফলাইন)।
‘সেবার+’ হচ্ছে অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেল প্রণীত একটি অনলাইন ডেটাবেজ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর বাজেট প্রস্তুত, তাদের ঋণ ও প্রচ্ছন্ন দায়ের হিসাবায়ন, রিপোর্টিং ও সার্বিক কাজের মূল্যায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, অফলাইন থেকে অনলাইন ব্যবস্থায় রূপান্তরের ফলে চলতি অর্থবছরে ৭২টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার বাজেট প্রক্রিয়া নির্ভুল হয়েছে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে।