ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে শিবিরের বিরুদ্ধে দুই হোটেলে তাণ্ডবের অভিযোগ, থমথমে পরিস্থিতি বিএসএফ নিতে প্রস্তুত, আইনি জটিলতায় নিজ দেশে ফিরতে পারছে না চার ভারতীয় আরডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের সাথে রেডা নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহী নৃত্যশিল্পী ঐক্য জোটের রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী পালন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারী তিন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ ! কালিগঞ্জে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও অপরাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাসিক প্রশাসকের ফ্রান্স সফর নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রকৃত তথ্য জানাল সিটি কর্পোরেশন ​প্রতারণা মামলায় রাজশাহীতে কথিত সাংবাদিক চপল গ্রেফতার দুই মাসে ১৪ নির্যাতন, রাজশাহীতে নারী ও শিশু পরিস্থিতি হতাশাজনক বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা হাসিনা আনছারের জন্মদিন

আজ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘বেহুলা দরদী’

বিনোদন প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলা লোকজ সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী গীতিনাট্য বেহুলা নাচারি পালা–কে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’। টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলাগুলোর গ্রামীণ জনজীবনে একসময় ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল এই বেহুলা লক্ষিন্দরের কাহিনিনির্ভর পালা। সেই ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে এই সিনেমা।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সারাদেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বেহুলা দরদী। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবে সিনেমার মুক্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সবুজ খান, প্রযোজক মো. জাহিদুল ইসলাম, অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবুসহ সিনেমার অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু, অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ।

পরিচালক সবুজ খান বলেন, “আমার পূর্বপুরুষরা বেহুলা লক্ষিন্দরের কাহিনী নিয়ে গ্রামেগঞ্জে পালাগান করতেন। তাঁদের দেখা গল্পগুলোই আমি বড় পর্দায় তুলে ধরেছি। গ্রামের মাটি ও মানুষের সংস্কৃতি যেন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমার উদ্দেশ্য।”

অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু বলেন, “এই সিনেমার শুটিং হয়েছে আসল লোকেশনে। টাঙ্গাইলের মধুপুর অঞ্চলের নাচারি সংস্কৃতির ইতিহাস এতে তুলে ধরা হয়েছে। আমি মনে করি, এটি ঐ অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতির এক জীবন্ত আর্কাইভ হয়ে থাকবে।”

প্রযোজক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সময়ে গ্রামীণ ঐতিহ্য নিয়ে সিনেমা নির্মাণ একটি সাহসী পদক্ষেপ। তবে আমি চাই, বাংলার লোকজ সংস্কৃতি যেন বিশ্বদরবারে জায়গা করে নেয়। মুক্তির পর আমরা সিনেমাটি আন্তর্জাতিক উৎসবগুলোতেও পাঠাবো।”

সবুজ খানের পরিচালনায় ও উৎসব অরিজিনাল প্রযোজিত এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন প্রাণ রায়, সূচনা সিকদার, আফফান মিতুল, আজিজুন মীম, আশরাফুল আশীষ, রেশমি আহামেদ, সেলজুক ত্বারিক, ইমরান হাসো, নয়ন আহমেদ কাজলসহ মধুপুরের স্থানীয় শিল্পীরা।

সিনেমার গল্পে দেখা যাবে নাগবাড়ি এলাকার নাচারি দলের প্রধান ভোলা মিয়ার সংগ্রামের কাহিনী—যিনি তার হারানো সম্মান ও দলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়াই করেন। এই প্রতিযোগিতা ও স্বপ্নের গল্পই গড়ে তুলেছে বেহুলা দরদী-র মূল সুর।

চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন নির্ঝর চৌধুরী, চিত্রগ্রহণে নাহিয়ান বেলাল এবং সম্পাদনায় আমিনুল সিকদার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আজ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘বেহুলা দরদী’

আপডেট সময় : ০৮:১৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

বাংলা লোকজ সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী গীতিনাট্য বেহুলা নাচারি পালা–কে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’। টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলাগুলোর গ্রামীণ জনজীবনে একসময় ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল এই বেহুলা লক্ষিন্দরের কাহিনিনির্ভর পালা। সেই ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে এই সিনেমা।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সারাদেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বেহুলা দরদী। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবে সিনেমার মুক্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সবুজ খান, প্রযোজক মো. জাহিদুল ইসলাম, অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবুসহ সিনেমার অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু, অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ।

পরিচালক সবুজ খান বলেন, “আমার পূর্বপুরুষরা বেহুলা লক্ষিন্দরের কাহিনী নিয়ে গ্রামেগঞ্জে পালাগান করতেন। তাঁদের দেখা গল্পগুলোই আমি বড় পর্দায় তুলে ধরেছি। গ্রামের মাটি ও মানুষের সংস্কৃতি যেন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমার উদ্দেশ্য।”

অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু বলেন, “এই সিনেমার শুটিং হয়েছে আসল লোকেশনে। টাঙ্গাইলের মধুপুর অঞ্চলের নাচারি সংস্কৃতির ইতিহাস এতে তুলে ধরা হয়েছে। আমি মনে করি, এটি ঐ অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতির এক জীবন্ত আর্কাইভ হয়ে থাকবে।”

প্রযোজক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সময়ে গ্রামীণ ঐতিহ্য নিয়ে সিনেমা নির্মাণ একটি সাহসী পদক্ষেপ। তবে আমি চাই, বাংলার লোকজ সংস্কৃতি যেন বিশ্বদরবারে জায়গা করে নেয়। মুক্তির পর আমরা সিনেমাটি আন্তর্জাতিক উৎসবগুলোতেও পাঠাবো।”

সবুজ খানের পরিচালনায় ও উৎসব অরিজিনাল প্রযোজিত এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন প্রাণ রায়, সূচনা সিকদার, আফফান মিতুল, আজিজুন মীম, আশরাফুল আশীষ, রেশমি আহামেদ, সেলজুক ত্বারিক, ইমরান হাসো, নয়ন আহমেদ কাজলসহ মধুপুরের স্থানীয় শিল্পীরা।

সিনেমার গল্পে দেখা যাবে নাগবাড়ি এলাকার নাচারি দলের প্রধান ভোলা মিয়ার সংগ্রামের কাহিনী—যিনি তার হারানো সম্মান ও দলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়াই করেন। এই প্রতিযোগিতা ও স্বপ্নের গল্পই গড়ে তুলেছে বেহুলা দরদী-র মূল সুর।

চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন নির্ঝর চৌধুরী, চিত্রগ্রহণে নাহিয়ান বেলাল এবং সম্পাদনায় আমিনুল সিকদার।