ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে : প্রধান প্রকৌশলী থেকে জিএম আহমেদ হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ‘পটু’ চরিত্রে অভিনয়ে নজর কাড়লেন শিশুশিল্পী আয়াত গুলশান-২ এ ‘বারোক ক্যাফের’ নতুন শাখার উদ্বোধন চলচ্চিত্র পরিচালক ইকবালের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটে দোকান বরাদ্দ নিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা ও চুরির অভিযোগ দেশীয় ফ্যাশনের ব্র্যান্ড নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো রানওয়ে উইক ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট ফেন্সি আইকনিকের নতুন আউটলেট পলাতক আলিফকে খুঁজছে পুলিশ নাচ থেকে অভিনয়ে, ব্যস্ত সময় পার করছেন সোনিয়া লাজুক ‘শিক্ষার্থী নিয়ে উধাও’ হওয়ার খবর কাল্পনিক, সামাজিকভাবে হেয় করার চক্রান্ত : আইএইচটি শিক্ষক

বিরলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন পীড়নের অভিযোগ

সাদেকুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিরল(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বিরল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ইকরামুল হক এর বিরুদ্ধে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন পীড়নের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযুক্ত শিক্ষককের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন।।

এ ঘটনায় গত ৭ ডিসেম্বর শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা।
জানাগেছে গত ১ (এক) বৎসর পূর্ব থেকে ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় যৌন নিপীড়ন করে আসছিল ওই শিক্ষক, নিপীড়ন সহ্য করতে না পেড়ে এক পর্যায়ে এসব বিষয়ে পরিবারকে জানায় ছাত্রী। এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষক ইকরামুল হকের বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার সহ স্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চরম চাঞ্চল্যতার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকদের মধ্যে অনেকে তাদের মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। অনেকে এতটাই আতঙ্কিত যে, তারা বলেছেন অন্যত্র কোনো স্কুলে ভর্তি করাবো, তবুও এ স্কুলে আর মেয়েকে পড়াবো না।
এমন একাধিক ঘটনায় শিক্ষক ইকরামুল হকের বিরুদ্ধে এলাকায় সালিশ-দরবার হয়। কিন্তু দরবারের কিছুদিন পর তিনি আবারও নতুন ঘটনার জন্ম দেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ
স্থানীয়রা জানান, এর আগে এই শিক্ষক তারই স্কুলের এক ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছ ঘটনা জানাজানি হলে এক পর্যায়ের সেই ছাত্রীকে বিয়ে করে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা অপহরণ মামলা করেন শিক্ষক ইকরামুল হকের বিরুদ্ধে পড়ে এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়ে বিরল থানায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ছাত্রীকে উদ্ধার করে আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে ওই ছাত্রীকে ডিভোর্স দেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি সহ ছাত্রীদের যৌন পীড়নের অভিযোগ ইতিপূর্বেও উঠেছে বেশ কয়েকবার। তবে ওই শিক্ষকের কোন অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতায় স্থানীয় ভাবে বিচার মিমাংসার মাধ্যমে ধামাচাপা পড়ে যায়। আমরা একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ কামনা করি না। অনতিবিলম্বে অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিরল উপজেলা সহকারী (ভুমি) কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নোটিশ করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসা বাদ শেষে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এ ব্যাপারে বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিমরান মোহাম্মদ সায়েক এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান উপজেলা সহকারী (ভুমি) কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইকরামুল হক বলেন, একটি পক্ষ ওই ছাত্রীকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। তবে আমি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিরলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন পীড়নের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বিরল(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বিরল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ইকরামুল হক এর বিরুদ্ধে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন পীড়নের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযুক্ত শিক্ষককের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন।।

এ ঘটনায় গত ৭ ডিসেম্বর শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা।
জানাগেছে গত ১ (এক) বৎসর পূর্ব থেকে ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় যৌন নিপীড়ন করে আসছিল ওই শিক্ষক, নিপীড়ন সহ্য করতে না পেড়ে এক পর্যায়ে এসব বিষয়ে পরিবারকে জানায় ছাত্রী। এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষক ইকরামুল হকের বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার সহ স্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চরম চাঞ্চল্যতার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকদের মধ্যে অনেকে তাদের মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। অনেকে এতটাই আতঙ্কিত যে, তারা বলেছেন অন্যত্র কোনো স্কুলে ভর্তি করাবো, তবুও এ স্কুলে আর মেয়েকে পড়াবো না।
এমন একাধিক ঘটনায় শিক্ষক ইকরামুল হকের বিরুদ্ধে এলাকায় সালিশ-দরবার হয়। কিন্তু দরবারের কিছুদিন পর তিনি আবারও নতুন ঘটনার জন্ম দেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ
স্থানীয়রা জানান, এর আগে এই শিক্ষক তারই স্কুলের এক ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছ ঘটনা জানাজানি হলে এক পর্যায়ের সেই ছাত্রীকে বিয়ে করে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা অপহরণ মামলা করেন শিক্ষক ইকরামুল হকের বিরুদ্ধে পড়ে এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়ে বিরল থানায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ছাত্রীকে উদ্ধার করে আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে ওই ছাত্রীকে ডিভোর্স দেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি সহ ছাত্রীদের যৌন পীড়নের অভিযোগ ইতিপূর্বেও উঠেছে বেশ কয়েকবার। তবে ওই শিক্ষকের কোন অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতায় স্থানীয় ভাবে বিচার মিমাংসার মাধ্যমে ধামাচাপা পড়ে যায়। আমরা একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ কামনা করি না। অনতিবিলম্বে অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিরল উপজেলা সহকারী (ভুমি) কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নোটিশ করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসা বাদ শেষে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এ ব্যাপারে বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিমরান মোহাম্মদ সায়েক এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান উপজেলা সহকারী (ভুমি) কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইকরামুল হক বলেন, একটি পক্ষ ওই ছাত্রীকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। তবে আমি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।