ফটোগ্রাফিতে স্বপ্নীলের এক দশকের পথচলা
- আপডেট সময় : ০৮:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ৮৯ বার পড়া হয়েছে
ফটোগ্রাফির প্রতি ভালোবাসা থেকেই পথচলা শুরু স্বপ্নীল খানের। ২০১৬ সালে বড় ভাইয়ের ক্যামেরা হাতে নিয়ে ছবি তোলার যাত্রা শুরু করেন তিনি। তখন সামর্থ্য সীমিত থাকলেও নিজের পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন ছিল দৃঢ়। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে পেরোতে হয়েছে নানা বাধা, করতে হয়েছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম।
শুরুর দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে স্বপ্নীল জানান, ফটোগ্রাফি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে টানা তিন বছর কঠোর পরিশ্রম করেছেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও লক্ষ্য থেকে সরে যাননি। তাঁর স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে একসময় বাবা দুই লাখ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন। সেই অর্থ দিয়েই শুরু করেন নিজের স্টুডিও। বাবার এই বিশ্বাস ও সহযোগিতা তাঁর জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি।
এরপর কাজের প্রতি নিষ্ঠা, অভিজ্ঞতা অর্জন এবং প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন স্বপ্নীল। বর্তমানে ফ্যাশন শো, দেশের বিভিন্ন পরিচিত তারকার সঙ্গে কাজ এবং ওয়েডিং ফটোগ্রাফিতে নিজের কাজের পরিধি বিস্তৃত করেছেন তিনি। ছোট পরিসরে শুরু হওয়া সেই যাত্রা এখন তাঁকে নিয়ে গেছে পেশাদার ফটোগ্রাফির বৃহত্তর পরিসরে।
তবে নিজের এই অগ্রযাত্রায় বিশেষ কৃতিত্ব দিতে চান সহধর্মিণীকে। স্বপ্নীলের ভাষ্য, জীবনের কঠিন সময়গুলোতে স্ত্রী সবসময় তাঁর পাশে থেকেছেন। নিজের স্বপ্নকে স্ত্রীরও স্বপ্ন হিসেবে গ্রহণ করে সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন তিনি। তাঁর সহযোগিতা ও সমর্থন ছাড়া এতদূর আসা সম্ভব হতো না বলেও মনে করেন এই ফটোগ্রাফার।
নিজের সাফল্যের পেছনে বড় ভাইয়ের দেওয়া প্রথম সুযোগ, বাবার আর্থিক সহযোগিতা এবং স্ত্রীর ভালোবাসা ও সমর্থনকে জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে দেখেন স্বপ্নীল খান। তাঁর বিশ্বাস, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে শুধু স্বপ্ন দেখলেই হবে না, সেই স্বপ্ন পূরণে প্রয়োজন ধৈর্য, অধ্যবসায় ও নিরলস পরিশ্রম।
এখনো থেমে থাকতে চান না স্বপ্নীল। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখা, কাজের মান উন্নত করা এবং আরও বড় পরিসরে নিজেকে মেলে ধরার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর কাছে ২০১৬ থেকে আজ পর্যন্ত সময়টা কেবল ফটোগ্রাফির পেশাগত অগ্রযাত্রা নয়; বরং স্বপ্ন, সংগ্রাম, পারিবারিক সহযোগিতা ও ভালোবাসায় গড়ে ওঠা এক জীবনের গল্প।













