ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অল্প বয়সেই একের পর এক সাফল্য, আইপা অ্যাওয়ার্ড জিতল আনাহিতা জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের গল্প নিয়ে নিউইয়র্কে ‘বিশ্বাস করেন ভাই’ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বহুমুখী ওপেন মার্কেটপ্লেস টেকসই উন্নয়ন ও মানবসেবার প্রত্যয়ে ‘সি ফাউন্ডেশন’-এর পথচলা ​নাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, পরিচয় ‘সাংবাদিক’ : বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে হামলায় যুবলীগ কর্মী জেলে নারীদের নিয়ে বড় স্বপ্ন, সেরা উদ্যোক্তার সম্মাননা পেলেন আফরোজা দেশের প্রথম মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল–২০২৬ অফিসিয়াল সিলেকশনে ‘বৈদেশ’ উমারপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ও মডেল হিসেবে গড়তে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল ইসলাম মন্ডল ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে যুবলীগ নেতা প্রার্থী সংস্কৃতি অঙ্গনে অনন্যা আজিজের নতুন পথচলা

চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত ২৯/০৭/২০২৫ ইং তারিখে ডাক্তার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন কর্তৃক প্রদেয় শিমুল নামে এক নারীর মেডিকেল রিপোর্টে লেখা হয়েছে তার গলায় এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বাস্তবে উক্ত নারীর মাথায় হালকা চামড়া কাটার চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তথ্যা অনুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত মেডিকেল রিপোর্ট গ্রহিতা নারী শিমুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুধুমাত্র মাথায় হালকা চামড়া কেটে যাওয়ার চিকিৎসা নিয়েছেন। তার এক নিকট আত্মীয়কে আদালতে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে উক্ত ডাক্তারের সাথে যোগসাজশে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়েছেন। তার কয়েকটি প্রমাণও মিলেছে কিছু ফুটেজের মাধ্যমে এবং উক্ত চিকিৎসকের সাক্ষাতকারে।

এবিষয়ে যশোর জেলা জজ আাদালতে বিচারাধীন ২৩৯/২৫,মামলার বিবাদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি উক্ত মামলার বাদীকে কোন প্রকার আঘাত করিনি এবং তার সাথে আমার কোনরকম মারামারিও হয়নি। তিনি নিজেই কিভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন আমি জানিনা।

সম্ভবত তিনি নিজেই নিজের মাথা কেটেছেন আমাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে। তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে চিকিৎসক এবং তয় একটি পক্ষের সাথে যোগসাজশে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর প্রমাণ স্বরূপ ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে বলে সাংবাদিককে উক্ত ভিডিও ফুটেজটি হস্তান্তর করেন।

এ ব্যাপারে চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ভুল হয়ে গিয়েছে।

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, এ ব্যাপারে আমার কিছুই করার নাই, রিপোর্ট প্রদানকারী ডা. এটার জবাব দিবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত ২৯/০৭/২০২৫ ইং তারিখে ডাক্তার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন কর্তৃক প্রদেয় শিমুল নামে এক নারীর মেডিকেল রিপোর্টে লেখা হয়েছে তার গলায় এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বাস্তবে উক্ত নারীর মাথায় হালকা চামড়া কাটার চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তথ্যা অনুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত মেডিকেল রিপোর্ট গ্রহিতা নারী শিমুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুধুমাত্র মাথায় হালকা চামড়া কেটে যাওয়ার চিকিৎসা নিয়েছেন। তার এক নিকট আত্মীয়কে আদালতে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে উক্ত ডাক্তারের সাথে যোগসাজশে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়েছেন। তার কয়েকটি প্রমাণও মিলেছে কিছু ফুটেজের মাধ্যমে এবং উক্ত চিকিৎসকের সাক্ষাতকারে।

এবিষয়ে যশোর জেলা জজ আাদালতে বিচারাধীন ২৩৯/২৫,মামলার বিবাদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি উক্ত মামলার বাদীকে কোন প্রকার আঘাত করিনি এবং তার সাথে আমার কোনরকম মারামারিও হয়নি। তিনি নিজেই কিভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন আমি জানিনা।

সম্ভবত তিনি নিজেই নিজের মাথা কেটেছেন আমাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে। তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে চিকিৎসক এবং তয় একটি পক্ষের সাথে যোগসাজশে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর প্রমাণ স্বরূপ ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে বলে সাংবাদিককে উক্ত ভিডিও ফুটেজটি হস্তান্তর করেন।

এ ব্যাপারে চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ভুল হয়ে গিয়েছে।

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, এ ব্যাপারে আমার কিছুই করার নাই, রিপোর্ট প্রদানকারী ডা. এটার জবাব দিবেন।