ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুয়েটের নিরাপত্তার দায়িত্বে ‘আ.লীগের দোসর’, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ কাভার করেছে বাংলাদেশের একমাত্র সংবাদমাধ্যম বিডিস্পোর্টসটাইম কঠোর পরিশ্রমে সাফল্য, মাসে লাখ টাকা আয় মাইনুলের ফটোগ্রাফিতে স্বপ্নীলের এক দশকের পথচলা ডিএমএফ’র সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মানিক ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস জিনিয়াসে চ্যাম্পিয়ন অর্ণবের ফ্যাশন টিম প্র্যাবের নতুন সভাপতি ইয়াহিয়া মির্জা, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে রাজশাহীতে সংঘর্ষ: গৃহবধূর অলংকার ছিনতাই ও কুপিয়ে জখমের হাইকোর্টের আদেশের পরও বাগমারায় ফসলি জমিতে পুকুর খনন ননদ ভাবী ইভেন্টসের উদ্যোক্তা মেলা উদ্বোধন করলেন বারিশা হক

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে : প্রধান প্রকৌশলী থেকে জিএম আহমেদ হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সদ্য পদোন্নতি পাওয়া জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আহমেদ হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যসহ কোটি কোটি টাকার অনিয়ম এবং চরম অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের সেই টাকায় তিনি জিএম পদ বাগিয়ে নিয়েছেন বলেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগে প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে যোগদানের পরপরই প্রকৌশল বিভাগে ৫০০ জন দৈনিক ভিত্তিক কর্মী নিয়োগে কোটি টাকার লেনদেন করেন তিনি। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত জিএমের দায়িত্বে থাকাকালে অফিস সহায়কের পদ থেকে কম্পিউটার অপারেটর পদে পদোন্নতির ঘটনাতেও হাতবদল হয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

সম্প্রতি স্থায়ী পদোন্নতি পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এসব তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, কথিত আছে এই নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত বিপুল টাকার জোরেই তিনি জিএম পদটি বাগিয়ে নিয়েছেন।

​শুধু আর্থিক অনিয়মই নয়, প্রশাসনিক অদক্ষতা ও সিদ্ধান্তহীনতার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের সাথে সৃষ্ট ঘটনায় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হওয়ায় রাজশাহী রেল স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি হয়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্ত জিএম হিসেবে তার চরম অবহেলা ও অনভিজ্ঞতার কারণেই এত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

​নানা বিতর্ক, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অবহেলার অভিযোগ কাঁধে নিয়েই বর্তমানে চলছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে। একজন বহুল বিতর্কিত কর্মকর্তার হাতে এই অঞ্চলের দায়িত্ব থাকায় রেলওয়ের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও যাত্রীসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আহম্মেদ হোসেন মাসুদকে একাধিক বার কল দিলেও সে ফোন রিসিভ না করার তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে : প্রধান প্রকৌশলী থেকে জিএম আহমেদ হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সদ্য পদোন্নতি পাওয়া জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আহমেদ হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যসহ কোটি কোটি টাকার অনিয়ম এবং চরম অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের সেই টাকায় তিনি জিএম পদ বাগিয়ে নিয়েছেন বলেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগে প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে যোগদানের পরপরই প্রকৌশল বিভাগে ৫০০ জন দৈনিক ভিত্তিক কর্মী নিয়োগে কোটি টাকার লেনদেন করেন তিনি। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত জিএমের দায়িত্বে থাকাকালে অফিস সহায়কের পদ থেকে কম্পিউটার অপারেটর পদে পদোন্নতির ঘটনাতেও হাতবদল হয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

সম্প্রতি স্থায়ী পদোন্নতি পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এসব তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, কথিত আছে এই নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত বিপুল টাকার জোরেই তিনি জিএম পদটি বাগিয়ে নিয়েছেন।

​শুধু আর্থিক অনিয়মই নয়, প্রশাসনিক অদক্ষতা ও সিদ্ধান্তহীনতার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের সাথে সৃষ্ট ঘটনায় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হওয়ায় রাজশাহী রেল স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি হয়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্ত জিএম হিসেবে তার চরম অবহেলা ও অনভিজ্ঞতার কারণেই এত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

​নানা বিতর্ক, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অবহেলার অভিযোগ কাঁধে নিয়েই বর্তমানে চলছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে। একজন বহুল বিতর্কিত কর্মকর্তার হাতে এই অঞ্চলের দায়িত্ব থাকায় রেলওয়ের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও যাত্রীসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আহম্মেদ হোসেন মাসুদকে একাধিক বার কল দিলেও সে ফোন রিসিভ না করার তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।