ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেবহাটায় ক্রয়কৃত জমিতে বসতঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সুবাহর কথাসাহিত্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ইলেকট্রনিক্স শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি পেলেন গোলাম শাহরিয়ার কবির রাজশাহীতে হোটেল মালিককে ‘চাঁদাবাজ’ সাজানোর চেষ্টার অভিযোগ রাজশাহীতে শ্রমিকদের ওপর হামলা, পাখির অপসারণ ও শাস্তির দাবি উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতি করে হাট বরাদ্দের অভিযোগ ! ‘আতরবিবিলেন’-এর নতুন গানে কণ্ঠে মুগ্ধতা আনলেন স্বর্ণা ১৫০ কর্মী নিয়ে ফেন্সি লিমিটেডের দিনব্যাপী আনন্দ আয়োজন ​মাদক বিক্রি ও বিচারপ্রার্থীদের জিম্মি করার অভিযোগ গোদাগাড়ীর এসআইয়ের বিরুদ্ধে

আলোচনার কেন্দ্রে গ্লামার লুকস জয়ী ইয়ামিন ফারশি

হৃদয় খান
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি শেষ হয়েছে দেশের আলোচিত ফ্যাশন রিয়েলিটি শো ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’। এবারের আসরে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইয়ামিন ফারশি ও তাজকিয়া। প্রতিযোগিতায় অসংখ্য প্রতিভাবান অংশগ্রহণকারীকে পেছনে ফেলে শিরোপা জিতে নেওয়া ইয়ামিন ফারশির গল্পটা শুধু সাফল্যের নয়, সংগ্রামেরও।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে ইয়ামিন বলেন, অনুভূতি সত্যিই অনেক ভালো। তিনি কখনোই ভাবেননি যে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন। তার মতে, ফ্যাশন মডেলিংয়ে টিকে থাকতে হলে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি ফিটনেস, ট্রেন্ড সম্পর্কে সচেতনতা এবং ফ্যাশন সেন্স ধরে রাখাও প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি শুটে কাজ করেছেন।
ইয়ামিনের শোবিজের স্বপ্ন ছোটবেলা থেকেই। জন্ম বরিশালে হলেও তার বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তবে পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে সেই স্বপ্ন অনেকদিন চাপা পড়ে ছিল। বয়স যখন মাত্র সাত কিংবা আট, তখন বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় আসেন। বাবা ব্যবসা করলেও সংসারে টানাপোড়েন লেগেই থাকত। শখের কথা তো দূরের, ভালো কোনো পোশাক দেখলেও কিনে নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন তার মা। ইয়ামিন বলেন, মা সবসময় তাকে সাহস জুগিয়েছেন। এমনকি ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’-এ অংশ নেওয়ার রেজিস্ট্রেশনটাও মাই করেছিলেন। অসুস্থতার কারণে কিছু গ্রুমিং ক্লাসে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মা বলতেন, চেষ্টা চালিয়ে যেতে। পাশাপাশি নানির দোয়াও ছিল তার অনুপ্রেরণার বড় অংশ।
বর্তমানে ইয়ামিন ফারশি অনার্স থার্ড ইয়ারে মার্কেটিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি শোবিজে নিজের জায়গা তৈরি করার এই পথচলা তার কাছে স্বপ্ন পূরণের শুরু মাত্র। সংগ্রাম আর পরিবারের ভালোবাসাকে পাথেয় করে সামনে আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশাই এখন তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলোচনার কেন্দ্রে গ্লামার লুকস জয়ী ইয়ামিন ফারশি

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সম্প্রতি শেষ হয়েছে দেশের আলোচিত ফ্যাশন রিয়েলিটি শো ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’। এবারের আসরে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইয়ামিন ফারশি ও তাজকিয়া। প্রতিযোগিতায় অসংখ্য প্রতিভাবান অংশগ্রহণকারীকে পেছনে ফেলে শিরোপা জিতে নেওয়া ইয়ামিন ফারশির গল্পটা শুধু সাফল্যের নয়, সংগ্রামেরও।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে ইয়ামিন বলেন, অনুভূতি সত্যিই অনেক ভালো। তিনি কখনোই ভাবেননি যে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন। তার মতে, ফ্যাশন মডেলিংয়ে টিকে থাকতে হলে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি ফিটনেস, ট্রেন্ড সম্পর্কে সচেতনতা এবং ফ্যাশন সেন্স ধরে রাখাও প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি শুটে কাজ করেছেন।
ইয়ামিনের শোবিজের স্বপ্ন ছোটবেলা থেকেই। জন্ম বরিশালে হলেও তার বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তবে পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে সেই স্বপ্ন অনেকদিন চাপা পড়ে ছিল। বয়স যখন মাত্র সাত কিংবা আট, তখন বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় আসেন। বাবা ব্যবসা করলেও সংসারে টানাপোড়েন লেগেই থাকত। শখের কথা তো দূরের, ভালো কোনো পোশাক দেখলেও কিনে নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন তার মা। ইয়ামিন বলেন, মা সবসময় তাকে সাহস জুগিয়েছেন। এমনকি ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’-এ অংশ নেওয়ার রেজিস্ট্রেশনটাও মাই করেছিলেন। অসুস্থতার কারণে কিছু গ্রুমিং ক্লাসে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মা বলতেন, চেষ্টা চালিয়ে যেতে। পাশাপাশি নানির দোয়াও ছিল তার অনুপ্রেরণার বড় অংশ।
বর্তমানে ইয়ামিন ফারশি অনার্স থার্ড ইয়ারে মার্কেটিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি শোবিজে নিজের জায়গা তৈরি করার এই পথচলা তার কাছে স্বপ্ন পূরণের শুরু মাত্র। সংগ্রাম আর পরিবারের ভালোবাসাকে পাথেয় করে সামনে আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশাই এখন তার।