ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে বরকে অকটেন উপহার ঈদের রাতে বাগমারায় ৩ নেতার বাড়িতে সশস্ত্র তাণ্ডব, এলাকায় আতঙ্ক ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গিয়াস উদ্দীন কালিগঞ্জে রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে দুস্থদের ঈদসামগ্রী ও খাদ্যসহায়তা যশোর সীমান্তে চোরাচালানী বিভিন্ন মালামাল জব্দ পীরগঞ্জে ৩০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৬ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ যশোর সীমান্তে অবৈধ চোরাচালানী বিভিন্ন মালামাল জব্দ দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় ল্যাবোরেট সিরাপ জব্দ খনগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঈদের শুভেচ্ছা ও দোয়া কামনা পীরগঞ্জে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আলোচনার কেন্দ্রে গ্লামার লুকস জয়ী ইয়ামিন ফারশি

হৃদয় খান
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি শেষ হয়েছে দেশের আলোচিত ফ্যাশন রিয়েলিটি শো ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’। এবারের আসরে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইয়ামিন ফারশি ও তাজকিয়া। প্রতিযোগিতায় অসংখ্য প্রতিভাবান অংশগ্রহণকারীকে পেছনে ফেলে শিরোপা জিতে নেওয়া ইয়ামিন ফারশির গল্পটা শুধু সাফল্যের নয়, সংগ্রামেরও।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে ইয়ামিন বলেন, অনুভূতি সত্যিই অনেক ভালো। তিনি কখনোই ভাবেননি যে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন। তার মতে, ফ্যাশন মডেলিংয়ে টিকে থাকতে হলে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি ফিটনেস, ট্রেন্ড সম্পর্কে সচেতনতা এবং ফ্যাশন সেন্স ধরে রাখাও প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি শুটে কাজ করেছেন।
ইয়ামিনের শোবিজের স্বপ্ন ছোটবেলা থেকেই। জন্ম বরিশালে হলেও তার বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তবে পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে সেই স্বপ্ন অনেকদিন চাপা পড়ে ছিল। বয়স যখন মাত্র সাত কিংবা আট, তখন বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় আসেন। বাবা ব্যবসা করলেও সংসারে টানাপোড়েন লেগেই থাকত। শখের কথা তো দূরের, ভালো কোনো পোশাক দেখলেও কিনে নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন তার মা। ইয়ামিন বলেন, মা সবসময় তাকে সাহস জুগিয়েছেন। এমনকি ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’-এ অংশ নেওয়ার রেজিস্ট্রেশনটাও মাই করেছিলেন। অসুস্থতার কারণে কিছু গ্রুমিং ক্লাসে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মা বলতেন, চেষ্টা চালিয়ে যেতে। পাশাপাশি নানির দোয়াও ছিল তার অনুপ্রেরণার বড় অংশ।
বর্তমানে ইয়ামিন ফারশি অনার্স থার্ড ইয়ারে মার্কেটিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি শোবিজে নিজের জায়গা তৈরি করার এই পথচলা তার কাছে স্বপ্ন পূরণের শুরু মাত্র। সংগ্রাম আর পরিবারের ভালোবাসাকে পাথেয় করে সামনে আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশাই এখন তার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলোচনার কেন্দ্রে গ্লামার লুকস জয়ী ইয়ামিন ফারশি

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সম্প্রতি শেষ হয়েছে দেশের আলোচিত ফ্যাশন রিয়েলিটি শো ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’। এবারের আসরে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইয়ামিন ফারশি ও তাজকিয়া। প্রতিযোগিতায় অসংখ্য প্রতিভাবান অংশগ্রহণকারীকে পেছনে ফেলে শিরোপা জিতে নেওয়া ইয়ামিন ফারশির গল্পটা শুধু সাফল্যের নয়, সংগ্রামেরও।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে ইয়ামিন বলেন, অনুভূতি সত্যিই অনেক ভালো। তিনি কখনোই ভাবেননি যে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন। তার মতে, ফ্যাশন মডেলিংয়ে টিকে থাকতে হলে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি ফিটনেস, ট্রেন্ড সম্পর্কে সচেতনতা এবং ফ্যাশন সেন্স ধরে রাখাও প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি শুটে কাজ করেছেন।
ইয়ামিনের শোবিজের স্বপ্ন ছোটবেলা থেকেই। জন্ম বরিশালে হলেও তার বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তবে পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে সেই স্বপ্ন অনেকদিন চাপা পড়ে ছিল। বয়স যখন মাত্র সাত কিংবা আট, তখন বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় আসেন। বাবা ব্যবসা করলেও সংসারে টানাপোড়েন লেগেই থাকত। শখের কথা তো দূরের, ভালো কোনো পোশাক দেখলেও কিনে নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন তার মা। ইয়ামিন বলেন, মা সবসময় তাকে সাহস জুগিয়েছেন। এমনকি ‘মিঃ এন্ড মিস গ্লামার লুকস সিজন–৫’-এ অংশ নেওয়ার রেজিস্ট্রেশনটাও মাই করেছিলেন। অসুস্থতার কারণে কিছু গ্রুমিং ক্লাসে উপস্থিত থাকতে না পারলেও মা বলতেন, চেষ্টা চালিয়ে যেতে। পাশাপাশি নানির দোয়াও ছিল তার অনুপ্রেরণার বড় অংশ।
বর্তমানে ইয়ামিন ফারশি অনার্স থার্ড ইয়ারে মার্কেটিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি শোবিজে নিজের জায়গা তৈরি করার এই পথচলা তার কাছে স্বপ্ন পূরণের শুরু মাত্র। সংগ্রাম আর পরিবারের ভালোবাসাকে পাথেয় করে সামনে আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশাই এখন তার।