ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাধা পেরিয়ে স্বপ্নজয়ের পথে নারী উদ্যোক্তা সাকিলা সুলতানা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে নতুন চরিত্রে সানজিদা তাসনীম যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব নৌ দিবস–২০২৬ উদযাপন জন্মদিনে পরিবারই মৌ রহমানের সবচেয়ে বড় আনন্দ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে : প্রধান প্রকৌশলী থেকে জিএম আহমেদ হোসেন মাসুমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ‘পটু’ চরিত্রে অভিনয়ে নজর কাড়লেন শিশুশিল্পী আয়াত গুলশান-২ এ ‘বারোক ক্যাফের’ নতুন শাখার উদ্বোধন চলচ্চিত্র পরিচালক ইকবালের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটে দোকান বরাদ্দ নিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা ও চুরির অভিযোগ দেশীয় ফ্যাশনের ব্র্যান্ড নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো রানওয়ে উইক

যশোর সীমান্তে অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে বিজিবি’র টহল তৎপরতা জোরদার

সোহেল রানা
  • আপডেট সময় : ১১:০১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় যশোর রিজিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেলের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যাপক কার্যক্রম চালাচ্ছে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)। একইসঙ্গে অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে জোরদার করা হয়েছে নজরদারি।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার সুযোগে সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচার না হয়, সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় টহল, তল্লাশি এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে।

বিজিবি গৃহীত কার্যক্রমের মূল লক্ষ্যগুলো হলো-জ্বালানি ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা সীমান্ত ও নৌপথে জ্বালানি তেলের অবৈধ পাচার প্রতিরোধ করা,সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মজুদ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, যশোর রিজিয়নের আওতাধীন সাতটি ব্যাটালিয়ন ইতোমধ্যে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে-১৯২টি বিশেষ তল্লাশি অভিযান ২৯টি সীমান্তবর্তী ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন১৯৩৬টি তল্লাশি ও মোবাইল টহল১১৩১টি চেকপোস্ট পরিচালনা
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সঙ্গে ৯৪৬টি মতবিনিময় সভাবিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে ৯৭টি যৌথ অভিযান ও চেকপোস্ট এছাড়া নৌপথে পাচার ঠেকাতে স্পিডবোটের মাধ্যমে নিয়মিত ৬টি টহল পরিচালনা করা হচ্ছে, যার ফলে নদীপথেও সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

বিজিবি মনে করে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব। এ বিষয়ে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি সংক্রান্ত সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে অবহিত করতে। বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় সারাদেশের ৯টি জেলায় ১৯টি জ্বালানি ডিপোতে বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যশোর সীমান্তে অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে বিজিবি’র টহল তৎপরতা জোরদার

আপডেট সময় : ১১:০১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় যশোর রিজিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেলের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যাপক কার্যক্রম চালাচ্ছে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)। একইসঙ্গে অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে জোরদার করা হয়েছে নজরদারি।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার সুযোগে সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচার না হয়, সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় টহল, তল্লাশি এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে।

বিজিবি গৃহীত কার্যক্রমের মূল লক্ষ্যগুলো হলো-জ্বালানি ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা সীমান্ত ও নৌপথে জ্বালানি তেলের অবৈধ পাচার প্রতিরোধ করা,সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মজুদ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, যশোর রিজিয়নের আওতাধীন সাতটি ব্যাটালিয়ন ইতোমধ্যে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে-১৯২টি বিশেষ তল্লাশি অভিযান ২৯টি সীমান্তবর্তী ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন১৯৩৬টি তল্লাশি ও মোবাইল টহল১১৩১টি চেকপোস্ট পরিচালনা
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সঙ্গে ৯৪৬টি মতবিনিময় সভাবিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে ৯৭টি যৌথ অভিযান ও চেকপোস্ট এছাড়া নৌপথে পাচার ঠেকাতে স্পিডবোটের মাধ্যমে নিয়মিত ৬টি টহল পরিচালনা করা হচ্ছে, যার ফলে নদীপথেও সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

বিজিবি মনে করে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব। এ বিষয়ে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি সংক্রান্ত সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে অবহিত করতে। বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় সারাদেশের ৯টি জেলায় ১৯টি জ্বালানি ডিপোতে বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে।