আরডিএ’র সহকারী প্রকৌশলীকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদের প্রতিবাদ
- আপডেট সময় : ০২:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
সম্প্রতি রাজশাহী ও ঢাকার কিছু অনলাইন নিউজপোর্টালে ‘দুর্নীতির মামলার আসামি আরডিএ প্রকৌশলীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান।
তিনি দাবি করেছেন, কোনো প্রকার তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়াই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মনগড়াভাবে এই বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ করে সমাজে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে শেখ কামরুজ্জামান জানান, প্রকাশিত সংবাদে যে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরালের কথা বলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়া ও তাঁর নয়। ডিজিটাল বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ভিডিওটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওর ব্যক্তির চেহারার সঙ্গে তাঁর চেহারার কোনো মিল নেই। প্রকৃত সত্য না জেনে কেবল তাঁর সম্মানহানি করার লক্ষ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০০৪ সালে সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে আরডিএতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন তিনি।
তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে চাকরি পাওয়ার পর থেকেই তিনি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি নিজে বিএনপির একজন কর্মী হওয়ায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ও তাঁর পরিবারের পেছনে লেগে যায়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে ২০২২ সালের ১ জুন তাঁর বিরুদ্ধে এবং পরদিন ২ জুন তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক মামলা করা হয়। এই মামলার জেরে ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠান এবং সে সময় তাঁকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়। মূলত কতিপয় ব্যক্তির ইন্ধনেই দুদক এই মামলাটি দায়ের করেছে।
শেখ কামরুজ্জামান অভিযোগ করেন, বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর ও তাঁর পরিবারের ওপর নানাভাবে নির্যাতন ও হয়রানি চালানো হয়েছে। তৎকালীন সময়ে কতিপয় ব্যক্তির ইশারায় আওয়ামীপন্থী সাংবাদিকেরা তাঁর বিরুদ্ধে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছিলেন। বর্তমানেও সেই একই মহল পুরোনো ভুল তথ্য ও কাসুন্দি ঘেঁটে নতুন করে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ইতোমধ্যেই এই বিভ্রান্তিমূলক ও মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন উল্লেখ করে আরডিএ’র এই কর্মকর্তা সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান, কোনো পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে যেন সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা হয়।


















