ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সুবাহর কথাসাহিত্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ইলেকট্রনিক্স শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি পেলেন গোলাম শাহরিয়ার কবির রাজশাহীতে হোটেল মালিককে ‘চাঁদাবাজ’ সাজানোর চেষ্টার অভিযোগ রাজশাহীতে শ্রমিকদের ওপর হামলা, পাখির অপসারণ ও শাস্তির দাবি উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতি করে হাট বরাদ্দের অভিযোগ ! ‘আতরবিবিলেন’-এর নতুন গানে কণ্ঠে মুগ্ধতা আনলেন স্বর্ণা ১৫০ কর্মী নিয়ে ফেন্সি লিমিটেডের দিনব্যাপী আনন্দ আয়োজন ​মাদক বিক্রি ও বিচারপ্রার্থীদের জিম্মি করার অভিযোগ গোদাগাড়ীর এসআইয়ের বিরুদ্ধে ​রাজশাহীতে হোটেল মালিককে হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনায় শঙ্কিত ভারত

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় ৫৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনায় শঙ্কিত ভারত। দেশটির দাবি, চীনের সাহায্যে আবার চালু করা হচ্ছে এটি।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরটি ভারতের সীমানার খুব কাছাকাছি, মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে। এটি ভারতের সিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি, যাকে ‘চিকেন নেক’ বলা হয়। (যদিও গুগল ম্যাপ ও বাংলাদেশসহ পাশ্বর্বর্তী কয়েকটি দেশের মানচিত্র ঘেঁটে দেখা যায়, লালমনিরহাট বিমানবন্দর থেকে ভারতের ‘চিকেন নেক’ খ্যাত শিলিগুড়ি করিডরের দূরুত্ব ১৬০ কিলোমিটার।)

রত্মদ্বীপ চৌধুরীর লেখা প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, যদি চীন এ বিমানবন্দর সংস্কারে সাহায্য করে, তাহলে তারা হয়তো সেখান থেকে সামরিক সরঞ্জাম যেমন ফাইটার জেট, রাডার ও নজরদারি যন্ত্র বসাবে। এ কারণে, ভারত দ্রুত উত্তর-পূর্ব রাজ্যের ত্রিপুরার কাইলাশহর বিমানবন্দর সংস্কারের কাজ শুরু করেছে। যদিও এটি মূলত একটি বেসামরিক বিমানবন্দর থাকবে, তবুও সামরিক বিমান চলাচলের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে। এ পদক্ষেপ শুধু বাংলাদেশের লালমনিরহাটের জন্য নয়, বরং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে ভারতের পক্ষ থেকে একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও ধরা হচ্ছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন বলছে, গত বছর আগস্টে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। তার পরিবর্তে নতুন সরকার এসেছে, যারা ভারতের সঙ্গে তেমন ঘনিষ্ঠ নয় এবং চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে। অতএব, চীনের সাহায্যে বাংলাদেশের এ বিমানবন্দরর সংস্কার ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ।

এতে আরও বলা হয়, ত্রিপুরার কাইলাশহর বিমানবন্দর ১৯৯০-এর দশকে বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। কাইলো ফ্লাইট নামে বাংলাদেশের একটি মুক্তিযোদ্ধাদের বিমান দল এখান থেকে কাজ করেছিল। এটি ভারতের বিমানবাহিনীর সহায়তায় কাজ করত। এ দলটি পরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্ম দেয়।

রত্মদ্বীপ আরও লিখেছেন, কাইলাশহর বিমানবন্দর সংস্কার হলে ত্রিপুরার বিমান যোগাযোগ অনেক উন্নত হবে। কারণ এখন ত্রিপুরায় একমাত্র বড় বিমানবন্দর আগরতলা শহরে। ২০২৫ সালের ২৬ মে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চ পর্যায়ের দল এয়ারপোর্টটি পরিদর্শন করেছে এবং তারা সরকারকে পরবর্তী পরিকল্পনা জানাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনায় শঙ্কিত ভারত

আপডেট সময় : ০১:১৯:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

প্রায় ৫৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনায় শঙ্কিত ভারত। দেশটির দাবি, চীনের সাহায্যে আবার চালু করা হচ্ছে এটি।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরটি ভারতের সীমানার খুব কাছাকাছি, মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে। এটি ভারতের সিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি, যাকে ‘চিকেন নেক’ বলা হয়। (যদিও গুগল ম্যাপ ও বাংলাদেশসহ পাশ্বর্বর্তী কয়েকটি দেশের মানচিত্র ঘেঁটে দেখা যায়, লালমনিরহাট বিমানবন্দর থেকে ভারতের ‘চিকেন নেক’ খ্যাত শিলিগুড়ি করিডরের দূরুত্ব ১৬০ কিলোমিটার।)

রত্মদ্বীপ চৌধুরীর লেখা প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, যদি চীন এ বিমানবন্দর সংস্কারে সাহায্য করে, তাহলে তারা হয়তো সেখান থেকে সামরিক সরঞ্জাম যেমন ফাইটার জেট, রাডার ও নজরদারি যন্ত্র বসাবে। এ কারণে, ভারত দ্রুত উত্তর-পূর্ব রাজ্যের ত্রিপুরার কাইলাশহর বিমানবন্দর সংস্কারের কাজ শুরু করেছে। যদিও এটি মূলত একটি বেসামরিক বিমানবন্দর থাকবে, তবুও সামরিক বিমান চলাচলের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে। এ পদক্ষেপ শুধু বাংলাদেশের লালমনিরহাটের জন্য নয়, বরং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে ভারতের পক্ষ থেকে একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও ধরা হচ্ছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন বলছে, গত বছর আগস্টে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। তার পরিবর্তে নতুন সরকার এসেছে, যারা ভারতের সঙ্গে তেমন ঘনিষ্ঠ নয় এবং চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে। অতএব, চীনের সাহায্যে বাংলাদেশের এ বিমানবন্দরর সংস্কার ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ।

এতে আরও বলা হয়, ত্রিপুরার কাইলাশহর বিমানবন্দর ১৯৯০-এর দশকে বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। কাইলো ফ্লাইট নামে বাংলাদেশের একটি মুক্তিযোদ্ধাদের বিমান দল এখান থেকে কাজ করেছিল। এটি ভারতের বিমানবাহিনীর সহায়তায় কাজ করত। এ দলটি পরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্ম দেয়।

রত্মদ্বীপ আরও লিখেছেন, কাইলাশহর বিমানবন্দর সংস্কার হলে ত্রিপুরার বিমান যোগাযোগ অনেক উন্নত হবে। কারণ এখন ত্রিপুরায় একমাত্র বড় বিমানবন্দর আগরতলা শহরে। ২০২৫ সালের ২৬ মে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চ পর্যায়ের দল এয়ারপোর্টটি পরিদর্শন করেছে এবং তারা সরকারকে পরবর্তী পরিকল্পনা জানাবে।